নিজস্ব প্রতিবেদক:
কিশোরগঞ্জ–২ (পাকুন্দিয়া–কটিয়াদি) আসনে গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত এমপি প্রার্থী ও জেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম শফিকের বিরুদ্ধে সম্প্রতি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন গণঅধিকার পরিষদের নেতারা।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) হোসেনপুর পৌর গণঅধিকার পরিষদ শাখার উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন গণঅধিকার পরিষদ হোসেনপুর পৌর শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মানিক এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আশরাফুল ইসলাম ভূঁইয়া। লিখিত বক্তব্যে নেতারা বলেন, গত ২ ফেব্রুয়ারি পাকুন্দিয়া উপজেলা গণঅধিকার পরিষদ শাখার পক্ষ থেকে কিশোরগঞ্জ–২ আসনের এমপি প্রার্থী আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম শফিকের বিরুদ্ধে যে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারা অভিযোগ করে বলেন, দলের চেয়ারপারসনের পাকুন্দিয়া সফর উপলক্ষে তিন লাখ টাকা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ওই টাকার হিসাব চাওয়া হলে জেলা যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রমজান আলীসহ তার অনুসারীরা এবং পাকুন্দিয়া গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহিদ গং বিভিন্ন অজুহাতে হিসাব দিতে গড়িমসি করেন। এছাড়াও নির্বাচনে এমপি প্রার্থীকে বিজয়ী করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তার কাছে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করা হয়। কিন্তু প্রার্থী আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম শফিক সেই অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয় বলে তারা দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে এসব অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয় এবং গণঅধিকার পরিষদের সংশ্লিষ্ট সকল নেতাকর্মীকে এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক ও দলবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়।

