রাজবাড়ী প্রতিনিধি:
রাজবাড়ীতে পাওনা টাকার জেরধরে জাহিদ ফকির (২৭) হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি রাতুল (২৮)-কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-(র্যাব-১০)। সে রাজবাড়ীর বিনোদপুর মাইছাঘাটার রাজু হোসেনের ছেলে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পৌনে ৪টার সময় ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার দক্ষিণ গাজীরচট এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টায় পাওনা টাকার জেরধরে রাজবাড়ীর কিশলয় স্কুলের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় আসামি রাতুল (২৮) ও তার সঙ্গীয় অন্যান্য আসামিগণ স্যানেটারি ব্যবসায়ী জাহিদ ফকির (২৭)-কে ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। স্থানীয় লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে এখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহিদ ফকিরকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজবাড়ী সদর থানায় (মামলা নং-১৯, ধারা-৩০২/৩৪ দণ্ডবিধি) একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনার সাথে জড়িত আসামিদের শনাক্তকরণ ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১০) ঢাকা বরাবর একটি অভিযানপত্র প্রেরণ করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকাল পৌনে ৪টার সময় র্যাব-১০, সিপিসি-৩ ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল, আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এবং র্যাব-৪-এর সহযোগিতায় ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার দক্ষিণ গাজীরচট এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ১ নম্বর আসামি রাতুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১০) এর অধিনায়কের পক্ষে সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়ব সহকারী পুলিশ সুপার তাপস কর্মকার বলেন, র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনায় দ্রুত আসামি শনাক্ত ও গ্রেফতারের মাধ্যমে জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলেও জানানো হয়।
পরে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাজবাড়ী সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

