ঢাকাশুক্রবার , ১৩ মার্চ ২০২৬
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. জনপ্রিয় সংবাদ
  9. জাতীয়
  10. বিনোদন
  11. রাজধানী
  12. রাজনীতি
  13. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

৩২ বছর পর আ. লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যানের দখলে থাকা জমি উদ্ধার ও অবৈধ পানশালা উচ্ছেদ

admin
মার্চ ১৩, ২০২৬ ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

রাজবাড়ী প্রতিনিধি:

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও বহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিমের অবৈধ দখলে থাকা ৩০ শতাংশ জমি উদ্ধার করাসহ জমিতে থাকা পানশালা (মাদকসেবন ঘর) উচ্ছে করে দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের রায়পুর মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত ২৭ নং দাগে ২০ শতাংশ ও ২৮ নং দাগে ১০ শতাংশসহ ২০ লক্ষ টাকা মূল্যের ৩০ শতাংশ জমি উদ্ধার করেছে।

উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন, বালিয়াকান্দি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) এহসানুল হক শিপন। এসময়  বহরপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার, বালিয়াকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আশরাফুল হক উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে পল্লী বিদ্যুৎ, ওজোপাডিকো এবং বালিয়াকান্দি থানা পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।

বালিয়াকান্দি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) এহসানুল হক শিপন বলেন, প্রায় ৩২ বছর যাবৎ বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বহরপুর ইউনিয়নের রায়পুর মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত ২৭ নং দাগে ২০ শতাংশ ও ২৮ নং দাগে ১০ শতাংশসহ ২০ লক্ষ টাকা মূল্যের ৩০ শতাংশ জমি অবৈধ ভাবে দখল করে। সেখানে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলে। গত ৮ ডিসেম্বর তাকে ৭ দিনের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য লিখিত নোটিশ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার মৌখিকভাবেও অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য তাকে আহ্বান জানানো হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। সরকারি খাস জমি দখলমুক্ত রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয় বাসিন্দা কয়েকজন বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও বহরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম দীর্ঘদিন যাবৎ ক্ষমতার দাপটে সরকারী জমি জবর দখল করে ইটভাটা পরিচালনা করে। সেখানে মাদকসেবনের জন্য পাকাস্থাপনা পানশালা গড়ে তোলেন। এটা জানে না এ এলাকার মানুষ কমই আছেন। দীর্ঘদিন পর হলেও প্রশাসন উচ্ছেদ করায় তাদেরকে ধন্যবাদ জানান।

এলাকাবাসী আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে সরকারি সম্পদ দখল করে রাখার অভিযোগে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ হওয়া উচিত। অবৈধভাবে ভোগদখল করে রাখা সম্পদের ক্ষতিপূরণ সরকারকে প্রদান এবং প্রয়োজনে আইনগত শাস্তি। একজন গ্রাম আদালতের প্রধান হয়েও যদি সরকারি সম্পদ অবৈধভাবে ভোগদখল করেন, তবে সেটি অত্যন্ত দুঃখজনক। তাই এ বিষয়ে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা।

এ বিষয়ে বহরপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউল করিমের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।