ঢাকাশুক্রবার , ২৯ আগস্ট ২০২৫
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. জনপ্রিয় সংবাদ
  9. জাতীয়
  10. বিনোদন
  11. রাজধানী
  12. রাজনীতি
  13. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

“ব্রহ্মপুত্রের তীরে তিন সাংস্কৃতিক কর্মীর আড্ডা: পোড়াদিয়া ব্রিজে স্মরণীয় বিকেল”

admin
আগস্ট ২৯, ২০২৫ ৪:৪৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বিনোদন রিপোর্ট:

বিস্তারিত প্রতিবেদন:

আজ শুক্রবার ২৯/০৮/২০২৫ ইং ,ঢাকা বিভাগের নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলার পোড়াদিয়া এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে এবং পোড়াদিয়া ব্রিজের উপর এক ভিন্নধর্মী বিকেল কাটালেন দেশের তিন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। তারা হলেন নাট্যনির্মাতা মোঃ মোবারক হোসেন কিশোর মোশা, প্রভাত টাইমস-এর নির্বাহী সম্পাদক ও খ্যাতিমান অভিনেতা মোহাম্মদ আলী এবং অভিনেতা ও গবেষক শেখ মোবারক হোসাইন সাদী।

তিনজনই নিজ নিজ ক্ষেত্রে সক্রিয় সাংস্কৃতিক কর্মী। কিশোর মোশা নাট্যচর্চায় নতুন প্রজন্মের কাছে একজন অনুপ্রেরণাদায়ী তরুণ নাট্যনির্মাতা। অন্যদিকে মোহাম্মদ আলী শুধু সাংবাদিকতায় নয়, অভিনয় জগতেও সমান জনপ্রিয় ও সম্মানিত। আর শেখ মোবারক হোসাইন সাদী দীর্ঘদিন ধরে অভিনয়, নাট্যনির্দেশনা ও গবেষণার মাধ্যমে সংস্কৃতির জগতে অবদান রেখে চলেছেন।

সাংস্কৃতিক কর্মীদের এই সফর ছিল শুধুমাত্র ভ্রমণ নয়, বরং এক সাংস্কৃতিক আলাপচারিতা ও স্মৃতিময় সময় কাটানোর উপলক্ষ। যদিও ব্রহ্মপুত্র নদটি বর্তমানে প্রায় মৃতপ্রায়, এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এখনও দর্শনার্থীদের হৃদয়কে ছুঁয়ে যায়। ব্রিজের উপর থেকে দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক দৃশ্য, চারপাশের জনজীবনের কোলাহল এবং নদীর বুকে ভেসে থাকা ছোট নৌকা—সব মিলিয়ে এক অনন্য পরিবেশ তৈরি করেছিল।

তিন সাংস্কৃতিক কর্মী নদীর পারে দাঁড়িয়ে স্মৃতিচারণা করেন, কথা বলেন বাংলাদেশের নাট্যচর্চা, সমাজ ও সংস্কৃতির নানা দিক নিয়ে। আলাপচারিতা এবং হাসি-আনন্দে ভরপুর এই বিকেলটি তাদের জন্য হয়ে উঠেছে স্মরণীয়।

শেখ মোবারক হোসাইন সাদী বলেন, “আমরা তিনজন ভিন্ন ভিন্ন কাজ করলেও সংস্কৃতির জন্যই একত্র হয়েছি। এই নদী যেমন আমাদের ইতিহাসের সাক্ষী, তেমনি আমাদের সাংস্কৃতিক বন্ধনও অটুট রাখবে।”

কিশোর মোশা বলেন, “ব্রহ্মপুত্রের তীরে দাঁড়িয়ে মনে হলো, নদী যেমন হার মানে না, তেমনি আমাদের নাটক ও সংস্কৃতিও বেঁচে থাকবে নতুন প্রজন্মের ভেতর দিয়ে।”

মোহাম্মদ আলী বলেন, “সাংস্কৃতিক চর্চা শুধু বিনোদনের জন্য নয়, এটি মানুষকে সচেতন করে এবং সমাজকে আলোকিত করে। এই নদীর ধারে দাঁড়িয়ে তা আরও গভীরভাবে উপলব্ধি করলাম।”

এই সফর তিন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের হৃদয়ে শুধু আনন্দই যোগ করেনি, বরং নতুন চিন্তা, নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এবং ভবিষ্যৎ সাংস্কৃতিক কর্মযাত্রার অনুপ্রেরণাও দিয়েছে।