ঢাকাশুক্রবার , ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. জনপ্রিয় সংবাদ
  9. জাতীয়
  10. বিনোদন
  11. রাজধানী
  12. রাজনীতি
  13. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগে মাস্টার্স পরীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত হলো রূপচানসুন্দরী পালা

admin
সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৫ ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার:

ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগে অভিনব এক সংযোজন ঘটেছে। বিভাগটির ৬ষ্ঠ ব্যাচের মাস্টার্স পর্যায়ের পরীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বাংলার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী পালানাট্য রূপচানসুন্দরী। এই খবরকে ঘিরে নাট্যাঙ্গনে বইছে আনন্দের ঢেউ।

২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের স্নাতকোত্তর প্রথম বর্ষ, প্রথম সেমিস্টারের পরীক্ষার অংশ হিসেবে আয়োজিত হচ্ছে “রূপচাঁন সুন্দরীর পালা”। প্রযোজনাটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৫, সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউটিলিটি ভবনের স্টুডিও ল্যাবরুমে। এর প্রশিক্ষক সায়িক সিদ্দিকি এবং কোর্স শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ড. মো. আব্দুল হালিম প্রামানিক।

আজ নাট্যকলা বিভাগের ৬ষ্ঠ ব্যাচের মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত শেষ সেশনে প্রশিক্ষক ও পালাকার সায়িক সিদ্দিকি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন—
“শোকর আলহামদুলিল্লাহ! আমার পালানাট্যকে এত ভালোবাসা এবং মর্যাদা দেওয়ার জন্য আমি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের প্রতি অসীম কৃতজ্ঞ। পালানাট্য বাংলার নাট্যধারার প্রাণ, আর এ ধারা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে স্থান পাওয়ায় পালাকারদের স্বপ্ন আরও শক্তি পেলো।”

তিনি আরও বলেন—
“পালানাট্য বাংলার নাটক, শোনো হে বিশ্বদরবার
পালার মাটিতে জন্ম আমার, আমরা সবাই পালাকার।”

এই অন্তর্ভুক্তি শুধু শিক্ষার্থীদের জন্যই নয়, বরং গোটা বাংলা নাট্যজগতের জন্য এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পালানাট্যকে মূলধারার পাঠ্যসূচিতে স্থান দেওয়ার মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্ম বাংলা নাটকের ঐতিহ্যকে জানার ও চর্চা করার সুযোগ পাবে।

নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থীরাও এ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জানান—এটি তাদের কাছে অভিনব অভিজ্ঞতা, যা একদিকে শিখন প্রক্রিয়াকে সমৃদ্ধ করছে, অন্যদিকে দেশীয় সংস্কৃতিকে বৈশ্বিক দরবারে পৌঁছে দেওয়ার পথ উন্মুক্ত করছে।

উপসংহার:
বাংলার মাটি ও মানুষের চিরায়ত জীবনবোধ থেকে উঠে আসা পালানাট্য আজ নতুনভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে জায়গা করে নিয়েছে। যা ভবিষ্যতের নাট্যচর্চাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং প্রমাণ করবে—বাংলার পালা কেবল বিনোদন নয়, বরং এটি আমাদের সংস্কৃতির গর্ব ও ঐতিহ্যের এক অমূল্য ধন।