ঢাকামঙ্গলবার , ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. জনপ্রিয় সংবাদ
  9. জাতীয়
  10. বিনোদন
  11. রাজধানী
  12. রাজনীতি
  13. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নারীর পোশাক নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য বিএনপি নেতার : প্রতিবাদে ইবিতে মানববন্ধন”

admin
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬ ৬:২০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সাব্বির আহমেদ, ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বিএনপি নেতা মোশারফ হোসেন ঠাকুরের মুসলিম নারীর হিজাব ও নিকাবকে অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ইবি নারী শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২ টায় ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে এই মানববন্ধন করেন তারা।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন অর্ধশতাধিক নারী শিক্ষার্থী। এসময় শিক্ষার্থীদের হাতে “লজ্জা আমার অলংকার নিকাব আমার অধিকার”, “নিকাব আমার পরিচয় অপমান নয়”, “ইসলামী সংস্কৃতির অপব্যাখ্যা রেখে দাও”, “হিজাব আমার অধিকার”, “হিসাব বিদ্বেষ বন্ধ কর, নারীর স্বাধীনতা রক্ষা কর”, “নকিব নয় মানসিকতা বদলাও”, “নিকাব আমার সম্মান, নিকাব আমার মুক্তি”, “যতই কর কটুক্তি ভাঙবে না এই ভক্তি”, “নিকাব নয় জুলুমের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ”, “বিশ্বাস নিয়ে ছিনিমিনি চলবে না” ইত্যাদি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাদিয়া মাহমুদ মিম বলেন, সুরা নূরের ৩১ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেছেন “হে মুমিনগণ, তোমরা তোমাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন করো না।” কেউ যদি পর্দা করে নিজেকে আড়াল করে, তাকে কটূক্তি করা অযৌক্তিক ও নিন্দনীয়। পোশাকের স্বাধীনতা বলতে শুধু জিন্স বা ওয়েস্টার্ন পোশাক নয়; ফ্রক পরা মেয়ে যেমন স্বাধীন, তেমনি বোরকা ও নেকাব পরা মেয়েরও সেই স্বাধীনতা থাকতে হবে।

একটি মুসলিম দেশে শুধু ওয়েস্টার্ন কালচারের পোশাককে স্বাধীনতার মানদণ্ড বানানো লজ্জাজনক। বোরকা হোক বা জিন্স নারীর পোশাক নিয়ে বিভাজনমূলক মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়।

ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের ১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের তাজমিন রহমান বলেন, বিএনপির একজন শীর্ষ পর্যায়ের নেতা হিজাব ও নিকাব নিয়ে নোংরা মন্তব্য করেছেন, তার তীব্র প্রতিবাদ জানাতে আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি। একজন শীর্ষ নেতা হয়ে তিনি কীভাবে বলেন নিকাব পতিতাবৃত্তিদের পোশাক? এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি নিকাবধারী নারীদের চরিত্রে কাদা ছুড়েছেন, যার দায় তাকেই নিতে হবে। আমরা বিএনপির নীতিনির্ধারক ও চেয়ারপার্সনের কাছে স্পষ্ট জবাব চাই এই নেতার বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যদি দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে জনগণ ধরে নেবে বিএনপি এই বক্তব্য ধারণ করে।

উল্লেখ্য, সাংস্কৃতিক সংগঠক ও বিএনপি নেতা মোশাররফ আহমদ ঠাকুর তার এক বক্তব্যে বলেছেন, ‘ইয়াহুদী নারীরা যখন বেশ্যাবৃত্তি করতো অথবা অন্য কোনো নিষিদ্ধ কার্যক্রম করতো, তখন নেকাব পড়তো। হিজাব হলো মুসলমানের ড্রেস বাট নেকাব মুসলমানের ড্রেসই না।’