ঢাকামঙ্গলবার , ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. জনপ্রিয় সংবাদ
  9. জাতীয়
  10. বিনোদন
  11. রাজধানী
  12. রাজনীতি
  13. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খুলনা সদর থানায় মামলা বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে আনোয়ার

admin
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ ১২:১১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

এসএম নুর ইসলাম

বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণের অভিযোগে খুলনা সদর থানায় মামলা নাম্বার ২০ দায়ের করেছেন সাহারা খাতুন (৩১) নামে এক নারী। অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন (৩৩) নিজেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, আনোয়ার হোসেন প্রথমে ঢাকার টঙ্গী এলাকায় সাহারা খাতুনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে বিয়ের আশ্বাস ও স্বামী-স্ত্রীর পরিচয় দিয়ে একটি ভাড়াবাড়িতে একসঙ্গে বসবাস শুরু করেন। ওই সময়ে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।
কিছুদিন পর এলাকাবাসীর সন্দেহের মুখে আনোয়ার হোসেন হঠাৎ করে “খুলনায় পোস্টিং হয়েছে” বলে দাবি করে সাহারাকে নিয়ে খুলনায় চলে যান। সেখানে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের এলাকায় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। প্রায় দুই মাস পর পুনরায় স্থানীয়দের সন্দেহ দেখা দিলে বাসা পরিবর্তন করেন।
পরবর্তীতে খুলনার গল্লামারী এলাকার অগ্রণী ব্যাংক টাউন গলিতে রফিক মের্ধার বাড়ির দ্বিতীয় তলায় নতুন করে বাসা ভাড়া নেন। কিছুদিন পর হঠাৎ করেই আনোয়ার হোসেন সাহারা খাতুনকে রেখে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ ওঠে।
এক সপ্তাহ ধরে অভিযুক্তের কোনো খোঁজ না পেয়ে সাহারা খাতুন খুলনা সদর থানায় আনোয়ার হোসেনসহ তার ভগ্নিপতি ও বোনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৩-৪ মাস ধরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে এবং এ কাজে অভিযুক্তের ভগ্নিপতি ও বোন সহযোগিতা করেছেন।
ভুক্তভোগী সাহারা খাতুন প্রতারক আনোয়ার হোসেন ও তার সহযোগীদের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে খুলনা সদর থানার কর্মকর্তারা জানান, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।