ঢাকামঙ্গলবার , ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. জনপ্রিয় সংবাদ
  9. জাতীয়
  10. বিনোদন
  11. রাজধানী
  12. রাজনীতি
  13. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মিঠামইনে বেড়িবাঁধের ২০টি গাছ কর্তনের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি’র সভাপতির বিরুদ্ধে

admin
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ ১২:৫০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নিজের বাড়িতে ব্যক্তিগত গাড়ি প্রবেশের পথ সুগম করতে ধাপে ধাপে ২০টি গাছ কেটে ফেলেছেন কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীর। উপজেলার কামালপুর এলাকায়
নদীভাঙন রোধে রোপণ করা প্রায় ২০টি মেহগনি গাছ কর্তনের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সংসদ সদস্য থাকাকালীন এলাকায় নদীভাঙন ঠেকাতে এই বেড়িবাঁধে গাছ রোপণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে এই গাছগুলো এলাকার পরিবেশ ও বাঁধ রক্ষায় বড় ভূমিকা রেখে আসছিল।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন, জাহাঙ্গীর আলমের বাড়িতে প্রবেশ করতে হলে বাঁধের ওপর দিয়ে যেতে হয়। ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে চলাচলে কিছুটা সমস্যা হওয়ায় গত ৫ আগস্টের পর থেকে একে একে গাছ কাটা শুরু করেন। সর্বশেষ গত ২১ ফেব্রুয়ারি একসঙ্গে ১০ থেকে ১২টি গাছ কেটে ফেলা হয়। প্রতিটি গাছের আনুমানিক বাজারমূল্য ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। বৈদ্যুতিক করাত ব্যবহার করে গাছের গুঁড়ি কেটে ফেলা হয় এবং পরে সেগুলো সরিয়ে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার পর এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লেও অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রভাবশালী হওয়ায় প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীর বলেন, আমি কাটবো কেন? আমার দরকার আছে কাটার? আন্তাজি আলাপ করে। জায়গা ও গাছগুলো সরকারি না। প্রত্যেকে নিজের জায়গা থেকে গাছ কেটে নিয়ে গেছে। বেড়িবাঁধ সরকারি না অধিগ্রহণকৃতও না।
মিঠামইন উপজেলার দায়িত্বে থাকা বন বিভাগের কর্মকর্তা জুলফিকার জয় বলেন, বেড়িবাধে কেটে ফেলা গাছ গুলো স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সহায়তায় খোয়াব নামে একটি এনজিও সংস্থা রোপণ করেছিল। বিষয়টি উপকারভোগী স্থানীয় দুঃস্থ নারী ও এলজিইডি দেখাশোনা করছে। এটা আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। মিঠামইন উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপজেলা প্রকৌশলী ফয়জুর রাজ্জাক বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকে ১৯৯৫-১৯৯৬ সালে বাঁধ তৈরি করা হয়েছিল। সে সময় গাছগুলো রোপণ করা হয়। গাছ কেটে ফেলার বিষয়টি জানার পর স’মিলে গিয়ে গাছগুলো জব্দ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।