ঢাকাশনিবার , ১৪ মার্চ ২০২৬
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. জনপ্রিয় সংবাদ
  9. জাতীয়
  10. বিনোদন
  11. রাজধানী
  12. রাজনীতি
  13. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হোসেনপুরে বিয়ের দাবিতে জামায়াত নেতার বাড়িতে অনশনে ধর্ষিতা

admin
মার্চ ১৪, ২০২৬ ১০:৫২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার মধ্যে গোবিন্দপুর ( সভাগিয়া) গ্রামে ধর্ষণের শিকার এক তরুণী বিয়ের দাবিতে ছেলের বাড়িতে দুইদিন ধরে অনশনে বসেছে।
শুক্রবার (১৩) মার্চ রাতে ধর্ষক মোহাম্মদ মাহফুজ (১৮) এর বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশনে রয়েছেন। শনিবার (১৪) মার্চ সকালে
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের মধ্য গোবিন্দপুর (সভাগিয়া) গ্রামের জামায়াত নেতা ফরিদ মুন্সির ছেলে মোহাম্মদ মাহফুজ এর সাথে একই গ্রামের মোহাম্মদ সাইদুল এর মেয়ে সাথী আক্তার (১৮) এর সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। প্রেমের সম্পর্কের জেরে প্রতিনিয়ত মেয়ের বাড়িতে যাতায়াত ছিল ধর্ষক মাহফুজের। গত ১০ থেকে ১২ মার্চ তিন রাতে পাকা বাড়ি পেয়ে বিয়ের আশ্বাসে লাগাতার ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পরদিন বিয়ের চাপ দিলে, বিয়ে করতে অশ্বিকৃতি জানালে ধর্ষিতা ছেলের বাড়িতে এসে অনশনে বসে। ছেলের বাবা মেয়েকে বিয়ে না করাতে ছেলেকে বাড়ি থেকে অন্যত্র পাঠিয়ে দিয়েছে। গত কয়েক মাস আগে ধর্ষক মাহফুজ প্রতিবেশী এক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় এলাকার মাতাব্বরদের মাধ্যমে ধামাচাপা দেওয়া হয়। ধর্ষক মাহফুজের পিতা ফরিদ মুন্সী বলেন, আমার ছেলের সাথে মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে, যদি তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়ে থাকে তাহলে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে ছেলেকে বিয়ে করাবো। ধর্ষিতার প্রতিবেশী মোহাম্মদ শামীম জানায়, মেয়েটার সাথে ধর্ষণের মত ঘটনা ঘটিয়েছে এটা আমরা এলাকাবাসী হিসেবে জেনেছি, এলাকার মানুষ হিসাবে মেয়েটা যেন সঠিক বিচার পায় আমরা সাংবাদিকদের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করছি। ধর্ষিতার দাদি হেলেনা আক্তার জানান, আমার নাতনিটা এতিম কিছুদিন আগে তার মা মারা গিয়েছে, বাবা কর্মের তাগিদে বাড়িতে থাকে না, আমি বৃদ্ধ মানুষ রাতে ঘুমিয়ে পড়ার পর বিয়ের প্রলোভনে আমার নাতনির সাথে প্রতিবেশী মাহফুজ শারীরিক মেলামেশা করেছে। এখন বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানালে ছেলের বাড়িতে আমার নাতনি চলে আসে। ছেলের বাবা ছেলেকে বাড়ি থেকে অন্য কোথাও পাঠিয়ে দিয়েছে যাতে আমার নাতিকে বিয়ে করতে না হয়। আমার নাতির সাথে ঘটে যাওয়া পাশবিক ঘটনার উপযুক্ত বিচার চাই। ধর্ষিতা জানান, আমাকে বিয়ের আশ্বাসে লাগাতার দিন রাত মাহফুজ ধর্ষণ করেছে। বিয়ে করতে অস্বীকার করলে আমি তাদের বাড়িতে চলে আসি। বাড়িতে আসার পর মাহফুজের বাবা তাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। আমাকে সম্মানের সাথে বিয়ে না করালে। আমি ধর্ষক ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে মামলা করব। হোসেনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম জানান, এ ধরনের কোন সংবাদ পাইনি, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।