নুরুল আবছার নূরী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৭৯, চট্টগ্রাম-২ ফটিকছড়ি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১,৩৮,৫৪৫ ভোট, যা তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট মনোনীত জামায়াত প্রার্থীর ৬২,১৬০ ভোটের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ।
এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন মোট ৮ জন প্রার্থী, যার মধ্যে ৬ জন জামানত হারাচ্ছেন।
তারা হলেন: শাহাজাদা সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী (সুন্নিজোট-বিএসপি, একতারা প্রতীক) – ১২,৪১৫ ভোট, মোহাম্মদ জুলফিকার আলি মান্নান (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, হাতপাখা প্রতীক) – ২,১৬৯ ভোট, গোলাম নওশের (জনতার দল, কলম প্রতীক) – ৩৮০ ভোট, রবিউল হাসান (গণঅধিকার পরিষদ, ট্রাক প্রতীক) – ২৫১ ভোট, আহমদ কবির করিম (স্বতন্ত্র, ফুটবল প্রতীক) – ২৬২ ভোট, জিন্নাত আকতার (স্বতন্ত্র, হরিণ প্রতীক) – ২৭০ ভোট।
নির্বাচনী নিয়ম অনুসারে, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট ভোটের কমপক্ষে ১২.৫ শতাংশ বা এক-অষ্টাংশ ভোট পেতে হবে। ফটিকছড়ি আসনে মোট ভোটার ৪,৮০,৭৭৭, যেখানে ভোট পড়েছে ২,১৬,৪৫২ জনের। এর ভিত্তিতে ১২.৫ শতাংশ ভোটের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ২৭,৫৬০। সেই হিসেবে বিজয়ী সরোয়ার আলমগীরের পাশাপাশি শুধুমাত্র জামানত রক্ষাকারী দুই প্রার্থী আছেন, বাকিদের ভোট সংখ্যা নির্ধারিত সীমার নিচে পড়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম জানিয়েছেন, আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট ভোট না পাওয়া প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে এবং এই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হবে।

