ঢাকারবিবার , ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. জনপ্রিয় সংবাদ
  9. জাতীয়
  10. বিনোদন
  11. রাজধানী
  12. রাজনীতি
  13. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হোসেনপুরে খাল খনন কাজের শুভ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য

admin
এপ্রিল ১৯, ২০২৬ ৫:৪২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ইজিপিপি কর্মসূচির আওতায় কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নে খাল খনন কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (১৯ এপ্রিল) বিকালে কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য জনাব মাজহারুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে এই খাল খনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। প্রকল্পের বিবরণে জানা যায়, সৈয়দপুর হতে লাখুহাটি হয়ে পানান বিল পর্যন্ত খাল খনন। প্রকল্পের দৈর্ঘ্য: ২.৩৬০ কিলোমিটার।
বরাদ্দকৃত টাকা: ৭০,৮৫,১৩১ টাকা। অর্থ বছর: ২০২৫-২০২৬। বাস্তবায়নে: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অগ্রাধিকার প্রকল্পের বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই খাল খনন প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই খালটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতো। বর্ষা মৌসুমে ফসলি জমি ডুবে যেত এবং কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হতেন। হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও কাজী নাহিদ ইভা সভাপতিত্বে
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি মাজহারুল ইসলাম বলেন, সরকার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে। এই খাল খননের ফলে গোবিন্দপুর ইউনিয়নের সৈয়দপুর, লাখুহাটি ও পানান বিল এলাকার প্রায় কয়েক হাজার একর জমির জলাবদ্ধতা নিরসন হবে। এতে কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং কৃষকের মুখে হাসি ফুটবে। খাল খনন কর্মসূচিতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, কিশোরগঞ্জ জেলা, হোসেনপুর উপজেলা ও গোবিন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ও বর্তমান জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। এলাকাবাসী এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে কাজটি সম্পন্ন হলে এলাকার কৃষি ও সার্বিক আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে।