নূরুল আবছার নুরী,ফটিকছড়ি প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর থানার দাতঁমারা এলাকার শান্তিরহাট উত্তর বারোমাসিয়া খন্দকার পাড়ায় সংঘটিত সাম্প্রতিক গণপিটুনির ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় ১৪ নম্বর আসামি করা হয়েছে মাদ্রাসা পরিচালক হাফেজ মাওলানা মোঃ মনসুরকে। তবে তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার কামনা করেছেন।
জানা যায়, হাফেজ মনসুর দীর্ঘদিন ধরে করেরহাট এলাকার একটি মাদ্রাসার মুহতামিম (পরিচালক) হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি এলাকায় একজন শান্তশিষ্ট, সাদাসিধে ও পরহেজগার ব্যক্তি হিসেবে সুপরিচিত। তার জীবনের অধিকাংশ সময় মাদ্রাসা ও শিক্ষার্থীদের খেদমতে অতিবাহিত হয়েছে। সপ্তাহে এক থেকে দুই দিন তিনি নিজ বাড়িতে অবস্থান করেন।
স্থানীয়দের মতে, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক রয়েছে এবং তিনি সবসময় মানবকল্যাণে নিয়োজিত থাকেন। বহু শিক্ষার্থীর প্রিয় শিক্ষক হিসেবে তার রয়েছে সুনাম ও গ্রহণযোগ্যতা।
সম্প্রতি উক্ত এলাকায় সংঘটিত একটি গণপিটুনির ঘটনায়, যেখানে একজন ব্যক্তি নিহত হন, সেই মামলায় তাকে আসামি করা হলে এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে হাফেজ মনসুর বলেন,
“এই ঘটনার সাথে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমি ঘটনাস্থলের আশেপাশেও ছিলাম না এবং এ বিষয়ে কিছুই জানতাম না।”
তিনি আরও বলেন,
“আমি প্রশাসনের কাছে আমার নির্দোষতার পক্ষে সকল তথ্য-প্রম উপস্থাপন করতে প্রস্তুত। আমি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন ও ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।”
তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান, যেন বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হয় এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হয়।
শেষে তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন, এবং এই অভিযোগ থেকে মুক্তি এবং সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা হওয়ার আশা করেছেন।

